কেমন কাটছে প্রবাসীদের ঈদ
আজকে ২০১৭ সালের ২৫ তারিখ। আজকে স্পেনে ঈদ। এবং, অনেক দেশেই আজকে ঈদ উদযাপন হচ্ছে।
বাংলাদেশে ২৬ তারিখ সোমবার বার ঈদ। তারপরেও ঈদের আমেজ ছড়িয়ে গিয়েছে সবার মাঝে কম বেশী। নতুন জামা কিনে আলমিরাতে লুকিয়ে রাখা বা শপিং মলে ঘুরতে ঘুরতে মাথার চুল ছিড়ছে অনেকেই। অনেকে ঈদের দিন কে কি করবে সেই প্ল্যান করছে গার্ল/বয়/শুধু ফ্রেন্ড দের সাথে। সময় যেনো থমকে দাঁড়িয়েছে ঈদের আমেজে। যদিও দেশে থাকলেও অনেকে ঈদের দিনটায় শুয়ে বসে বা গল্পের বই পড়ে অথবা মুভি দেখে সময় কাটাবে - তারপরেও সবার কথা চিন্তা করলে বলা যায় - পাঞ্জাবী পড়ে বন্ধুদের সাথে কোলাকুলি টা মনে হয় কম বেশী সবাই করবে।
কিন্তু কেমন যাবে প্রবাসীদের ঈদ? অথবা, কেমন যায় প্রবাসীদের ঈদ?
সংখ্যার হিসেবে প্রবাসী সাধারন দুই ধরনের। এক - যারা ফ্যামিলি নিয়ে প্রবাসী; দুই - ব্যাচেলর প্রবাসী। স্ট্যাটাস হিসেবেও প্রবাসী দুই প্রকার। এক - ব্যবসায়ী ; দুই - পুল টাইম জব... আরো অনেকভাবে প্রবাসীদের ভাগ করা যায়, কিন্তু লেখা টা আসলে প্রবাসীদের ভাগাভাগি করা নিয়ে নয়।
যারা ফ্যামিলি নিয়ে বিদেশে থাকেন, তারা সাধারনত আগে থেকেই ছুটি নিয়ে রাখেন যেনো ঈদের দিনটা ফ্রী থাকেন। বউ-বাচ্চা নিয়ে ঘুরে বেড়াতে যান কোন বন্ধু বা কলিগের বাসায় অথবা, কোন কান্ট্রিসাইডে চলে যান, ঈদের দিনটাকে একটা ছুটির দিনের মতো ভেবেই ঘুরে বেড়ান হাতে হাত ধরে। দেশে ফোন দেন, কথা বলেন বন্ধু বান্ধব এবং আত্মীয় স্বজনদের সাথে। কিন্তু যারা ব্যাচেলর, তারা কি করে?
দুই ধরনের ব্যাচেলর আছেন - বিবাহিত ব্যাচেলর এবং অবিবাহিত ব্যাচেলর। তাদের মধ্য কেউ রাস্তায় ব্যবসা করেন আবার কেউ ১২/১৪ ঘন্টা কাজ করেন। এই দুই ধরনের ব্যাচেলরের প্রায় একি অবস্থা। ঈদের দিনেও তাদের অনেকের কাজ থাকে। তারা বিরস বদনে কাজে যান, কামলা দেন, কাজের ফাঁকে দেশে ফোন দিয়ে পরিবার ও বন্ধুদের সাথে কথা বলেন। আবার অনেকের কাজ থাকেনা। বা, অনেকে ছুটি ম্যানেজ করতে পারেন। তারা বাসায় বসে হয়তো টুকটাক কিছু রান্না করেন, দেশে ফোন দিয়ে কথা বলেন। কেউ হয়তো বিশাল একটা ঘুম দেন কারন কামলা দিতে দিতে তাদের ঘুম হয়না অন্যান্য দিন।
এই সকল প্রবাসীরা প্রায় সবাই কম বেশী দেশকে মিস করেন। বছরের অন্যান্য দিন তেমন মিস না করলেও দুই ঈদে খুব খুব বেশী মিস করেন। আমরা জানি, আমাদের পরিবারগুলোও আমাদের মিস করে। আমাদের বন্ধুরা আমাদের মিস করে। আমাদের বউগুলো আমাদের মিস করে। আমাদের বোনগুলো আমাদের মিস করে। আর তাই, ঈদ গুলো আমাদের মিসময় হয়ে উঠে।
অনেকেই হয়তো জানতে চাইবেন আমি কি করি, অথবা আমি কি করবো... থাক না, এটুকু নাহয় আড়ালেই থাক। সব কিছু জেনে যেতে নেই। যেদিন সব কিছু জেনে যাবেন, সেদিন পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে।
প্রবাসী বন্ধুদের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা। দয়া করে আমাদের আম্মুদের বলে দিবেন - আমাদের চোখে এখন আর জল আসেনা।
বাংলাদেশে ২৬ তারিখ সোমবার বার ঈদ। তারপরেও ঈদের আমেজ ছড়িয়ে গিয়েছে সবার মাঝে কম বেশী। নতুন জামা কিনে আলমিরাতে লুকিয়ে রাখা বা শপিং মলে ঘুরতে ঘুরতে মাথার চুল ছিড়ছে অনেকেই। অনেকে ঈদের দিন কে কি করবে সেই প্ল্যান করছে গার্ল/বয়/শুধু ফ্রেন্ড দের সাথে। সময় যেনো থমকে দাঁড়িয়েছে ঈদের আমেজে। যদিও দেশে থাকলেও অনেকে ঈদের দিনটায় শুয়ে বসে বা গল্পের বই পড়ে অথবা মুভি দেখে সময় কাটাবে - তারপরেও সবার কথা চিন্তা করলে বলা যায় - পাঞ্জাবী পড়ে বন্ধুদের সাথে কোলাকুলি টা মনে হয় কম বেশী সবাই করবে।
কিন্তু কেমন যাবে প্রবাসীদের ঈদ? অথবা, কেমন যায় প্রবাসীদের ঈদ?
সংখ্যার হিসেবে প্রবাসী সাধারন দুই ধরনের। এক - যারা ফ্যামিলি নিয়ে প্রবাসী; দুই - ব্যাচেলর প্রবাসী। স্ট্যাটাস হিসেবেও প্রবাসী দুই প্রকার। এক - ব্যবসায়ী ; দুই - পুল টাইম জব... আরো অনেকভাবে প্রবাসীদের ভাগ করা যায়, কিন্তু লেখা টা আসলে প্রবাসীদের ভাগাভাগি করা নিয়ে নয়।
যারা ফ্যামিলি নিয়ে বিদেশে থাকেন, তারা সাধারনত আগে থেকেই ছুটি নিয়ে রাখেন যেনো ঈদের দিনটা ফ্রী থাকেন। বউ-বাচ্চা নিয়ে ঘুরে বেড়াতে যান কোন বন্ধু বা কলিগের বাসায় অথবা, কোন কান্ট্রিসাইডে চলে যান, ঈদের দিনটাকে একটা ছুটির দিনের মতো ভেবেই ঘুরে বেড়ান হাতে হাত ধরে। দেশে ফোন দেন, কথা বলেন বন্ধু বান্ধব এবং আত্মীয় স্বজনদের সাথে। কিন্তু যারা ব্যাচেলর, তারা কি করে?
দুই ধরনের ব্যাচেলর আছেন - বিবাহিত ব্যাচেলর এবং অবিবাহিত ব্যাচেলর। তাদের মধ্য কেউ রাস্তায় ব্যবসা করেন আবার কেউ ১২/১৪ ঘন্টা কাজ করেন। এই দুই ধরনের ব্যাচেলরের প্রায় একি অবস্থা। ঈদের দিনেও তাদের অনেকের কাজ থাকে। তারা বিরস বদনে কাজে যান, কামলা দেন, কাজের ফাঁকে দেশে ফোন দিয়ে পরিবার ও বন্ধুদের সাথে কথা বলেন। আবার অনেকের কাজ থাকেনা। বা, অনেকে ছুটি ম্যানেজ করতে পারেন। তারা বাসায় বসে হয়তো টুকটাক কিছু রান্না করেন, দেশে ফোন দিয়ে কথা বলেন। কেউ হয়তো বিশাল একটা ঘুম দেন কারন কামলা দিতে দিতে তাদের ঘুম হয়না অন্যান্য দিন।
এই সকল প্রবাসীরা প্রায় সবাই কম বেশী দেশকে মিস করেন। বছরের অন্যান্য দিন তেমন মিস না করলেও দুই ঈদে খুব খুব বেশী মিস করেন। আমরা জানি, আমাদের পরিবারগুলোও আমাদের মিস করে। আমাদের বন্ধুরা আমাদের মিস করে। আমাদের বউগুলো আমাদের মিস করে। আমাদের বোনগুলো আমাদের মিস করে। আর তাই, ঈদ গুলো আমাদের মিসময় হয়ে উঠে।
অনেকেই হয়তো জানতে চাইবেন আমি কি করি, অথবা আমি কি করবো... থাক না, এটুকু নাহয় আড়ালেই থাক। সব কিছু জেনে যেতে নেই। যেদিন সব কিছু জেনে যাবেন, সেদিন পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে।
প্রবাসী বন্ধুদের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা। দয়া করে আমাদের আম্মুদের বলে দিবেন - আমাদের চোখে এখন আর জল আসেনা।


No comments