দ্যা ফেসবুক
এই যে মানুষের মন খুলে কথা বলতে না পারা, মত প্রকাশ করতে না পারার আক্ষেপ থেকে মানুষ কতটা বিপ্লবী হয়ে উঠতে পারে, তা নিজের চোখেই দেখলেন।
ছাত্র জনতার গন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা- আমাদের অনেকের মনে খুশির দোলা জাগিয়েছে। আমরা প্রাণ খুলে দুটো কথা বলতে পারছি। নিজেদের ভালো লাগা মন্দ লাগাকে প্রচার করতে পারছি। আমরা ধরে নিয়েছি যে, এতে কারোর লাভ ছাড়া ক্ষতি হবে না। এটাই তো আমাদের বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
ফেসবুকে লিখতে পারা মানেই বড় কিছু বা গর্বের কিছু নয়। মানসম্মত, সত্য-মিথ্যা যাচাই করে লিখা হচ্ছে বড় বিষয়।
উদাহরণ: এতোদিন দেয়ালগুলোতে অনেককিছু লিখা থাকলেও বর্তমানের মতো কখনো মন কারেনি। মূল কারণ এই মান। এখানেই একজন শিক্ষার্থীর ছোঁয়ার সার্থকতা।
তেমনি নিজের লিখার দিকেও খেয়াল রাখতে হবে যেনো তা গুজব বা ভুল তথ্য না ছড়ায়। যেমন আমি যদি বলি ফেসবুকে অনেকেই চোর, অনেকেই টাউট, অনেকেই পাপী। এক্ষেত্রে কি কথাগুলো ফেসবুকবাসীর গায়ে লাগবে না? তখন যতোই বলি আমি আমার ধারণা বা মতামত সবার সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে এসব বলেছি, তখন কি তা এই কথায় ঢাকা পরবে? অবশ্যই না। কারণ, ফেসবুক কথা বলার বা চিন্তা শেয়ার করার সুযোগ দেয় বলে এই না যে যা খুশি বলা বা শেয়ার করা যাবে। মূলত এটা করে নিজের মানষিকতা কতোটা জঘন্য তাই তুলে ধরা হবে।
চলমান পরিস্থিতি বা পরিবর্তন অনেকেই মানতে না পারলে তা নিয়ে গুজব বা মনগড়া ধারণা ছড়িয়ে ফেসবুকের অসম্মান না করি। ফেসবুকে লিখতে পারি বলেই যা খুশি না লিখি। লিখার ক্ষেত্রে সাবধান হই যেনো আমার লিখা দেশ এবং জাতির জন্যে কলঙ্ক না হয়ে বসে। দেশ আমাকে অনেককিছু দিয়েছে যার বিনিময়ে দেশকে আমি কিছু দিতে পারিনি। তাই অন্তত দেশের ক্ষতি হবে এমনকিছু না করি।


No comments