স্পেনের অখন্ডতা দরে রাখতে প্রয়োজনে সাহিত্য শাসন পদ্ধতি বাতিলের হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী মারিনো রাজয়।
স্পেনের অখন্ডতা দরে রাখতে প্রয়োজনে সাহিত্য শাসন পদ্ধতি বাতিলের হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী মারিনো রাজয়। কাতালোনিয়া স্বাধীনতার পক্ষে ফলাফল প্রসঙ্গে আসে তার এই হুমকি , এদিকে কাতালোনিয়া প্রেসিডেন্ট বলেছেন কেন্দ্রের সাথে স্বাধীনতার আলোচনার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নকে চান তারা।
১৯৭৮ সালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর আর কখনো এমন রাজনৈতিক সংকটে পড়েনি স্পেন । কাতালোনিয়া গণভোটের স্বাধীনতার পক্ষে ফলাফল আশায় দেশটির অখন্ডতায় এখন প্রশ্নবিদ্ধ অবশ্য এ পরিস্থিতিতে ঠেকাতে শুরু থেকেই শক্ত অবস্থান নিয়েছে মাদ্রিদ। কম যায়না কাতালোনিয়ারা ও সরকারের এমন অনড় অবস্থানের প্রতিবাদে ধর্মঘট পালন করছে সাধারন মানুষ। বন্ধ রাখা হয়েছে গণপরিবহন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমনকি হাসপাতাল , এমন পরিস্থিতিতে স্পেনিস প্রেসিডেন্টের এমন হুঁশিয়ারি প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করে কাতালানদের স্বায়ত্বশাসন কেড়ে
নেওয়া হবে। যেকোনো মূল্যে স্পেনের অখণ্ডতার ধরে রাখতে বদ্ধ পরিকর আমরা । প্রয়োজনের সংবিধানের ১৫৬ নং ধারা বাতিল করে সাহিত্য শাসনে পদ্ধতি করে দেওয়া হবে প্রধান বিরোধী দলের সাথে এ ব্যাপারে কথা ও হয়েছে আমার এখন কাতালানরা ঠিক করবেন তারা কি করবে। তবে এসব হুমকি-ধামকিতে ভীত নন কাতালানরা সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি প্রেসিডেন্ট কার্লোস ফ্রিজমেন্ট এর আহ্বান মোতায়েন করা অতিরিক্ত পুলিশ প্রত্যাহার করে নিতে হবে। সংকট সমাধানের ডাক দিয়েছেন আলোচনার গণভোটের ফলাফল নিজের চোখে দেখতে পাচ্ছে মাদ্রিদ এখন প্রয়োজন স্বাধীনতার জন্য আলোচনার টেবিলে বসা। আমার পরামর্শ মধ্যস্থতাকারী সব পক্ষের কথা গুরুত্ব সহকারে শুনে সমাধানের পথ খোঁজাবেন । এ ইউ এ ক্ষেত্রে কার্যকরী ভুমিকা পালন করতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার কঠোর অবস্থান নয় বরং নমনীয়তার সাথে আলোচনার দ্বার উন্মোচন করা উচিত ছিল মাদ্রিদের এমনটাই মন্তব্য তাদের ।শুরু থেকে কাতালানদের বঞ্চনার না কিংবা চাওয়া পাওয়া কতা আন্তরিকতার সাথে শুনতে চায়না কেন্দ্রীয় সরকার বরং একতরফাভাবে স্বাধীনতার বিরোধিতা করে গেছে যাতে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে এখন গণভোট দিয়ে কাতালানদের প্রভাবিত করে ফেলেছে আঞ্চলিক সরকার এর দায় মাদ্রিদ এড়াতে পারবে না কাতালোনিয়ার মোট ভোটার 53 লাখ, ভোটে অংশ নেয় মাত্র ২২লাক কেন্দ্রীয় সরকার বলেছেন ভোটার উপস্থিতি নিম্নহার এই প্রমাণ করে স্বাধীনতা যায় না কাতালানদের তবে পুলিশি বাধার কারণে অনেকেই ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেনি এমনটাই দাবি স্থানীয়দের।
১৯৭৮ সালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর আর কখনো এমন রাজনৈতিক সংকটে পড়েনি স্পেন । কাতালোনিয়া গণভোটের স্বাধীনতার পক্ষে ফলাফল আশায় দেশটির অখন্ডতায় এখন প্রশ্নবিদ্ধ অবশ্য এ পরিস্থিতিতে ঠেকাতে শুরু থেকেই শক্ত অবস্থান নিয়েছে মাদ্রিদ। কম যায়না কাতালোনিয়ারা ও সরকারের এমন অনড় অবস্থানের প্রতিবাদে ধর্মঘট পালন করছে সাধারন মানুষ। বন্ধ রাখা হয়েছে গণপরিবহন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমনকি হাসপাতাল , এমন পরিস্থিতিতে স্পেনিস প্রেসিডেন্টের এমন হুঁশিয়ারি প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করে কাতালানদের স্বায়ত্বশাসন কেড়ে
নেওয়া হবে। যেকোনো মূল্যে স্পেনের অখণ্ডতার ধরে রাখতে বদ্ধ পরিকর আমরা । প্রয়োজনের সংবিধানের ১৫৬ নং ধারা বাতিল করে সাহিত্য শাসনে পদ্ধতি করে দেওয়া হবে প্রধান বিরোধী দলের সাথে এ ব্যাপারে কথা ও হয়েছে আমার এখন কাতালানরা ঠিক করবেন তারা কি করবে। তবে এসব হুমকি-ধামকিতে ভীত নন কাতালানরা সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি প্রেসিডেন্ট কার্লোস ফ্রিজমেন্ট এর আহ্বান মোতায়েন করা অতিরিক্ত পুলিশ প্রত্যাহার করে নিতে হবে। সংকট সমাধানের ডাক দিয়েছেন আলোচনার গণভোটের ফলাফল নিজের চোখে দেখতে পাচ্ছে মাদ্রিদ এখন প্রয়োজন স্বাধীনতার জন্য আলোচনার টেবিলে বসা। আমার পরামর্শ মধ্যস্থতাকারী সব পক্ষের কথা গুরুত্ব সহকারে শুনে সমাধানের পথ খোঁজাবেন । এ ইউ এ ক্ষেত্রে কার্যকরী ভুমিকা পালন করতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার কঠোর অবস্থান নয় বরং নমনীয়তার সাথে আলোচনার দ্বার উন্মোচন করা উচিত ছিল মাদ্রিদের এমনটাই মন্তব্য তাদের ।শুরু থেকে কাতালানদের বঞ্চনার না কিংবা চাওয়া পাওয়া কতা আন্তরিকতার সাথে শুনতে চায়না কেন্দ্রীয় সরকার বরং একতরফাভাবে স্বাধীনতার বিরোধিতা করে গেছে যাতে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে এখন গণভোট দিয়ে কাতালানদের প্রভাবিত করে ফেলেছে আঞ্চলিক সরকার এর দায় মাদ্রিদ এড়াতে পারবে না কাতালোনিয়ার মোট ভোটার 53 লাখ, ভোটে অংশ নেয় মাত্র ২২লাক কেন্দ্রীয় সরকার বলেছেন ভোটার উপস্থিতি নিম্নহার এই প্রমাণ করে স্বাধীনতা যায় না কাতালানদের তবে পুলিশি বাধার কারণে অনেকেই ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেনি এমনটাই দাবি স্থানীয়দের।


No comments