স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে বাংলাদেশি বায়তুল মোকাররম জামে মসজিদের পরিচালনাধীন আরবি স্কুলের বার্ষিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে বাংলাদেশি বায়তুল মোকাররম জামে মসজিদের পরিচালনাধীন আরবি স্কুলের বার্ষিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রোববার (৮ অক্টোবর) মসজিদ প্রাঙ্গণে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।
কোরআন তিলাওয়াত, আজান, ড্রয়িং, দেয়ালিকা ও ইসলামি সংগীত; এই পাঁচটি বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। কোরআন তিলাওয়াত ও ড্রয়িং বিভাগে ছিল দুটি করে দল (এ ও বি)। স্কুলের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে ও প্রধান শিক্ষক নুরুল আলমের তত্ত্বাবধানে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
কোরআন তিলাওয়াতে এ গ্রুপে বিজয়ী প্রতিযোগীরা হলো সাকিব আল হক (প্রথম), জাবের মিয়া (দ্বিতীয়) ও তাসমিয়া মমতাজ (তৃতীয়)। বি গ্রুপে ইব্রাহিম হোসেইন (প্রথম) নানজিবা (দ্বিতীয়) এ আলী ফাহাদ (তৃতীয়)।
ড্রয়িং প্রতিযোগিতায় এ গ্রুপে প্রথম মেহেরাব হোসেইন, দ্বিতীয় নাভা আবুল আখতার ও তৃতীয় জোহান সুলতানা। বি গ্রুপে প্রথম মইন উদ্দিন, দ্বিতীয় নাবিলা সারা, তৃতীয় সামিয়া রাহমান।
দেয়ালিকা প্রতিযোগিতায় প্রথম তাহমিদ, দ্বিতীয় সিফাত আল সাফা, তৃতীয় রাস্মিয়া হাসিম।
ইসলামি সংগীত প্রতিযোগিতায় প্রথম জিসান নেওয়াজ, দ্বিতীয় রাইয়ান ও তৃতীয় নাভা আবুল আখতার।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ইউরোপে বসবাস করার কারণে অনেকেই নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে ভুলে ইউরোপিয়ান হওয়ার চেষ্টা করছে। যা আসলেই মরীচিকা। নিজস্ব তমদ্দুন ও ইসলামি মূল্যবোধকে জাগ্রত রাখার মাধ্যমেই আমাদের নিজস্ব জাতিসত্তার স্বকীয়তা অক্ষুণ্ন থাকবে।
কোরআন তিলাওয়াত, আজান, ড্রয়িং, দেয়ালিকা ও ইসলামি সংগীত; এই পাঁচটি বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। কোরআন তিলাওয়াত ও ড্রয়িং বিভাগে ছিল দুটি করে দল (এ ও বি)। স্কুলের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে ও প্রধান শিক্ষক নুরুল আলমের তত্ত্বাবধানে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
কোরআন তিলাওয়াতে এ গ্রুপে বিজয়ী প্রতিযোগীরা হলো সাকিব আল হক (প্রথম), জাবের মিয়া (দ্বিতীয়) ও তাসমিয়া মমতাজ (তৃতীয়)। বি গ্রুপে ইব্রাহিম হোসেইন (প্রথম) নানজিবা (দ্বিতীয়) এ আলী ফাহাদ (তৃতীয়)।
পুরস্কার বিতরণী
প্রতিযোগিতার দৃশ্যআজান প্রতিযোগিতায় প্রথম সুদাদ হোসেইন, দ্বিতীয় সাকিব আল হক ও তৃতীয় মোহাম্মদ জিসান আলম।ড্রয়িং প্রতিযোগিতায় এ গ্রুপে প্রথম মেহেরাব হোসেইন, দ্বিতীয় নাভা আবুল আখতার ও তৃতীয় জোহান সুলতানা। বি গ্রুপে প্রথম মইন উদ্দিন, দ্বিতীয় নাবিলা সারা, তৃতীয় সামিয়া রাহমান।
দেয়ালিকা প্রতিযোগিতায় প্রথম তাহমিদ, দ্বিতীয় সিফাত আল সাফা, তৃতীয় রাস্মিয়া হাসিম।
ইসলামি সংগীত প্রতিযোগিতায় প্রথম জিসান নেওয়াজ, দ্বিতীয় রাইয়ান ও তৃতীয় নাভা আবুল আখতার।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ইউরোপে বসবাস করার কারণে অনেকেই নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে ভুলে ইউরোপিয়ান হওয়ার চেষ্টা করছে। যা আসলেই মরীচিকা। নিজস্ব তমদ্দুন ও ইসলামি মূল্যবোধকে জাগ্রত রাখার মাধ্যমেই আমাদের নিজস্ব জাতিসত্তার স্বকীয়তা অক্ষুণ্ন থাকবে।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উপস্থিতি
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিতিঅনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মসজিদ কমিটির সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার। প্রধান অতিথি ছিলেন বেনতাস ইসলামিক সেন্টারের সাবেক পরিচালক ও লেগানেস ইসলামিক সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা খতিব শায়খ ড. মুনির মাহমুদ মিসৌরি। তিনি বিজয়ী প্রতিযোগীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব শায়খ হাসান বিন মোহাম্মদ উল্লাহ। অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীসহ , নরসিংদী ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি আল আমিন, গ্রেটার সিলেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লুতফর রহমান, গ্রেটার নোয়াখালী সমিতির সভাপতি রানা মাসুদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।



No comments